আযান, ইকামত ও নামাযের ওয়াজিব বিষয়াবলী

ড. মোহাম্মদ সামিউল হক


-    দুপায়ের মাঝে বেশী পরিমাণে ফাকা রাখা।

-    জমিন থেকে পা তুলে নেয় (তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯৬১-৯৬৪)

-  নামাযি অবশ্যই দাড়ানোর সময় তার দুপা জামিনের উপর রাখবে, কিন্তু তার শরীরের সম্পূর্ণ ভার দুপায়ে উপর দেয়ার প্রয়োজন নেই। কেননা এক পায়ের উপর তার সম্পূর্ণ শরীরের ভার দেয়াতে কোন অসুবিধা নেই (তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯৬৩)

-  মানুষ নামায পড়ার সময় যদি সমান্ন পরিমাণ আগে বা পিছে অথবা শরীরকে ডান অথবা বাম দিকে নাড়াতে চায় তবে সে সময় যেন কোন কিছু বলা থেকে বিরত থাকে (তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯৬৫)

- সূরা হাম্‌দ পড়ার সময় হাত বা আঙ্গুল নাড়ানোতে কোন অসুবিধা নেই, যদিও সতর্কতামূলক মুস্তাহাব হচ্ছে তাও যেন না নাড়ায় (তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯৬৭)

-  সূরা হাম্‌দ ও অন্য সূরা অথবা তাসবিহাতে আরবায়াপড়ার সময় অনিচ্ছায় শরীর নাড়ে যায় যা শরীরকে স্থির অবস্থা থেকে বের করে আনে তবে সেক্ষেত্রে সতর্কতামূলক ওয়াজিব হচ্ছে শরীর অস্থির থাকার সময় যা কিছু পড়েছে, শরীর স্থির হবার পর ওই গুলো পুনরায় পড়া (তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯৬৮)

- যে ব্যক্তির পক্ষে কোন ক্রমেই দাড়িয়ে নামায পড়া সম্ভব নয়, সে অবশ্যই কিবলা মুখি হয়ে বসে নামায পড়বে। আর যদি বসেও না পড়তে পারে তবে অবশ্যই শুয়ে নামায পড়বে (তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯৭০-৯৭১)

-  যে ব্যক্তি শুয়ে নামায পড়বে, অবশ্যই সে ডান পার্শ্বে ভার দিয়ে শুবে। আর যদি তা না পারে তবে বাম পার্শ্বে ভার দিয়ে শুবে। তাও যদি সম্ভব না হয় তবে চিৎ হয়ে শুবে যাতে করে তার পায়ের তলা কিবলা মুখি থাকে (প্রাগুক্ত ৯৭১)

১০- ওয়াজিব হচ্ছে রুকুর পরে সম্পূর্ণরূপে দাড়ানো এবং তারপর সিজদাহ্‌তে যাওয়া। যদি এই কিয়াম ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেয়া হয় তবে নামায বাতিল হয়ে যাবে (তাহ্‌রিরুল ওয়াসিলাহ্‌, খণ্ড-, পৃ.- ১৬২, মাসআলা নং- , উরওয়াতুল উছকা, খণ্ড- , পৃ ৬৬৫)



back 1 2 3 4 5 6 7