আযান, ইকামত ও নামাযের ওয়াজিব বিষয়াবলী

ড. মোহাম্মদ সামিউল হক


তাকবিরাতুল ইহরাম ও নামাযের অন্যান্য তাকবির বলার ক্ষেত্রে মুস্তাহাব হচ্ছে হস্তদ্বয় কর্ণদ্বয়ের সমপরিমাণ উপরে ওঠানো (তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯৫৫) 

 কিয়াম

কিয়াম অর্থাৎ দাড়ানো, যা কখনো কখনো নামাযে আরকান হিসেবে গন্য হয় এবং তা পরিহার করলে নামায বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু যে সকল ব্যক্তি দাড়িয়ে নামায পড়তে পারে না তাদের দায়িত্ব ভিন্ন যা পরবর্তি মাসআলাগুলোতে আলোচিত হবে।

কিয়ামের আহ্‌কাম

-  তাকবিরাতুল ইহরাম বলার পূর্বে এবং পরে একটুখানি স্থির হয়ে দাড়ানো হচ্ছে ওয়াজিব। যাতে করে বিশ্বাস স্থাপন হয় যে, কিয়ামের অবস্থায় তাকবিরাতুল ইহরাম বলা হয়েছে (তৌযিহুল(তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯৫৯)

-  রুকুর সাথে সংযুক্ত কিয়ামের অর্থ হচ্ছে যে, দাড়িয়ে থাকা অবস্থায় রুকুতে যাওয়া। সুতরাং যদি কেউ রুকু ভূলে যায় এবং কিরায়াতের পরে সিজদাহ্‌তে চলে যায় কিন্তু সিজদাহ্‌ দেয়ার পূর্বে তার স্মরণ হয় যে, সে রুকু আঞ্জাম দেয় নি সেক্ষেত্রে অবশ্যই সম্পূর্ণরূপে দাড়াবে এবং রুকু আঞ্জাম দিবে ও তারপর সিজদাহ্‌ দিবে (তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯৬০)

- কিয়ামের অবস্থায় যে সকল বিষয়গুলো অবশ্যই পরিহার করতে হবে:

-    দেহ অস্থির রাখা।

-    যে কোন দিকে ঝুকে থাকা।

-    কোন কিছুর সাথে হেলান দিয়ে দাড়ানো।



back 1 2 3 4 5 6 7 next