আযান, ইকামত ও নামাযের ওয়াজিব বিষয়াবলী

ড. মোহাম্মদ সামিউল হক


- এক মুস্তাহাব নামায থেকে অন্য এক মুস্তাহাব নামাযে।

- ওয়াজিব নামায তেকে মুস্তাহাব নামাযে, তবে নিম্নলিখিত দুটি ক্ষেত্রে সম্ভব যথা: জুময়ার দিনে যোহরের ওয়াক্তে যে ব্যক্তি সূরা জুময়াহ্‌ ভূলে গেছে এবং অন্য সূরা পড়তে শুরু করেছে আর তা অর্ধেক পড়াও হয়ে গেছে অথবা তারও একটু বেশী।

ওয়াজিব নামায পড়ায় মশগুল রয়েছে এবং রুকুতে না যেয়ে থাকে ও তৃতীয় রাকায়াত না হয়ে থাকে, সাথে সাথে জামায়াতের নামায শুরু হতে যাচ্ছে কিন্তু তার মনে ভয় রয়েছে যে, সে জামায়াত থেকে পিছনে থেকে যাবে (তাহ্‌রিরুল ওয়াসিলাহ্‌, খণ্ড-, পৃ.-১৫৯, মাসআলা নং- ১২ ও ১৩, ফাসলু ফি সালাতিল জামায়াহ্‌, পৃ.- ২৬৬, মাসআলা নং (৬ ও ৭

তাকবিরাতুল ইহরাম:

নামাযের প্রথম তাকবিরকে তাকবিরাতুল ইহরামবলা হয়। কেননা, এই তাকবিরের কারণেই অনেক কাজ যা নামাযের পূর্বে জায়েয ছিল কিন্তু বর্তমানে তা আঞ্জাম দেয়া নামাযের জন্য হারাম হয়ে গেছে। যেমন; খাওয়া ও পান করা, হাসি ও কান্না ইত্যাদি।

তাকবিরাতুল ইহরামের ওয়াজিব বিষয়াবলী:

-  আরবী ভাষায় সঠিক উচ্চারণসহ বলতে হবে।

-  আল্লাহু আকবারবলার সময় সম্পূর্ণ শরীর স্থীর থাকতে হবে।

- তাকবিরাতুল ইহরাম এমনভাবে বলতে হবে যেন যদি কোন অন্তরায় না থাকে তবে নিজে তা শুনতে পায়। অর্থাৎ, অনেক আস্তে যেন বলা না হয়।

-  সতর্কতামূলক ওয়াজিব হচ্ছে তাকবিরাতুল ইহরামকে অন্য কিছুর সাথে সংযুক্ত করে না বলা। অর্থাৎ তা বলার আগে যা বলছিল তা বলতে বলতেই তার সাথে সম্পৃক্ত করে এক সঙ্গে তাকবিরাতুল ইহরাম না বলা (তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯৪৮-৯৫২ )



back 1 2 3 4 5 6 7 next