আযান, ইকামত ও নামাযের ওয়াজিব বিষয়াবলী

ড. মোহাম্মদ সামিউল হক


আযান, ইকামত ও নামাযের ওয়াজিব বিষয়াবলী

-  নামাযের জন্য এটা মুস্তাহাব যে, দৈনন্দিন প্রতিটি নামায শুরুর আগে প্রথমে আযান তারপর ইকামত দিবে (তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯১৮)

-  আযান ও ইকামত নামাযের ওয়াক্তে বলতে হবে, যদি তা ওয়াক্তের পূর্বে বলা হয়ে থাকে তবে তা হচ্ছে বাতিল (তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯৩৫)

-   ইকামত অবশ্যই আযানের পরে বলতে হবে, যদি তা আযানের আগে বলা হয়ে থাকে তবে তা সাঠিক নয় (তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯৩১)

-    আযান ও ইকামত বলার সময় বাক্য উচ্চারণের ক্ষেত্রে অবশ্যই যেন অধিক সময়ের ব্যবধান না হয়। আর তা উচ্চারণের ক্ষেত্রে সাধারণ পরিমাণের তুলনায় অধিক সময়ের ব্যবধান হয়ে যায় তবে অবশ্যই তা পুনরায় প্রথম থেকে শুরু করতে হবে (তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯২০)

-   যদি জামায়াতের নামাযের জন্য আযান ও ইকামত বলা হয়ে থাকে এবং কোন ব্যক্তি ওই জামায়াতের সাথে নামায শুরু করতে করে তবে সে যেন অবশ্যই নিজের জন্য আযান ও ইকামত না বলে (তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯২৩)

- মুস্তাহাব হচ্ছে যে, যে ব্যক্তিকে আযান দেয়ার জন্য নির্দিষ্ট করা হবে সে যেন ন্যায়পরায়ন, সময় সচেতন এবং তার গলার আওয়াজ যেন উচ্চ হয় (তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯৪১)

-  মুস্তাহাব হচ্ছে যে, শিশু জন্ম নেয়ার প্রথম দিনে তার ডান কানে আযান ও বাম কানে ইকামত বলা (তৌযিহুল মাসায়েল, মাসআলা নং ৯১৭)

মূল মাসআলা:

কোন মুস্তাহাব নামাযেরই আযান বা ইকামত নেই (আল উরওয়াতুল ওয়াছকা, খণ্ড -, পৃ-৬০১)।



1 2 3 4 5 6 7 next